প্রেগন্যান্সি

ডেলিভারির পর পেট কমানোর উপায়

বেশিরভাগ মহিলাই প্রসবের পরে ওজন বেড়ে যাওয়ায় বিরক্ত হন এবং বড় হওয়া পেট কমাতে চান। আপনিও যদি প্রসবের পরে ওজন বেড়ে যাওয়া এবং পেট বড় হয়ে যাওয়া নিয়ে বিরক্ত হন, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। এই পোস্টে, আমরা প্রসবের পরে বর্ধিত ওজন এবং বর্ধিত পেট হওয়ার কারণ এবং প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আসুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক প্রসবের পর ওজন বৃদ্ধির কারণ কী।

প্রসবের পরে ওজন বৃদ্ধির কারণ

গর্ভাবস্থার পরে ওজন বৃদ্ধির অনেক কারণ থাকতে পারে, যা গর্ভাবস্থায়ই প্রভাব দেখাতে শুরু করে। নীচে এর কারণগুলো নিম্মরূপঃ

১. গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার ওজন বেড়ে যায়, যা প্রসবের পরে বেশি অনুভূত হয়। এর প্রধান কারণ হরমোনের দ্রুত পরিবর্তন।
২. আরেকটি প্রধান কারণ খাবার। গর্ভাবস্থায় এবং এমনকি গর্ভাবস্থার পরেও মহিলাদের ঘি এবং শুকনো ফলের মতো জিনিস দেওয়া হয়, যা ওজন বাড়ায়।
৩. প্রসবের পরে ওজন বৃদ্ধির একটি কারণ হতে পারে একজন মহিলার তার শিশুকে সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়াতে না পারা। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুকের দুধ খাওয়ানো জরুরি।
৪. প্রসবের পর সারাক্ষণ বিশ্রাম, কোনো শারীরিক পরিশ্রম না করা এবং হাঁটতে না যাওয়া ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
৫. বেশিরভাগ মহিলাই প্রসবের পরে শিশুর যত্ন নেওয়ার জন্য এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে তারা নিজের দিকে মনোযোগ দিতে পারে না। এ কারণে তারা ব্যায়াম করার সময় পান না এবং ওজন বাড়তে শুরু করে।
৬. কিছু ক্ষেত্রে, থাইরয়েডের ভারসাম্যহীনতার কারণে প্রসবের পরে স্থূলতাও বাড়তে শুরু করে।
৭. কিছু মহিলা প্রসবের পরে চাপে পড়েন, যার পরে তাদের ওজন বাড়তে শুরু করে। এই ধরনের মানসিক চাপকে প্রসবোত্তর বিষণ্নতা বলা হয়।


বাচ্চা হওয়ার পর অতিরিক্ত ওজন কমানো কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রথমত, এটি সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এতে করে আপনি সুস্থ থাকবেন এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং হার্টের সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন। একই সময়ে, ভবিষ্যতে আবার গর্ভবতী হওয়ার কথা ভাবলেও ওজন কমানো জরুরি। এমনকি গর্ভাবস্থায় সামান্য অতিরিক্ত ওজনও আপনাকে ‘ওভারওয়েট’ ক্যাটাগরিতে ফেলে।

এই কারণে, আপনার অতিরিক্ত ওজন আপনার পরবর্তী গর্ভাবস্থায় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। কিভাবে আপনার অতিরিক্ত ওজন আপনার ক্ষতি করতে পারে তা নিচে আমরা বলছি:

১. আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে।
২. পরবর্তী গর্ভাবস্থায় গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৩. পরবর্তী গর্ভাবস্থায় সিজারিয়ান ডেলিভারির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

বাচ্চা হওয়ার পর আমি কখন ওজন কমানো শুরু করতে পারি?
প্রসবের পর ওজন কমানোর আগে আপনার শারীরিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রসবের মাত্র ছয় সপ্তাহ পরে আপনার ওজন কমানোর পরিকল্পনা করা উচিত, যাতে শিশুটি বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পেতে পারে।

শুরু থেকেই ডায়েটের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। এছাড়াও, দেড় মাস পরে, শারীরিক পরিশ্রম এবং যোগব্যায়ামের মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে।

গর্ভাবস্থার পরে ওজন বা পেট কমানোর কিছু টিপস

গর্ভাবস্থার পর ওজন কমানোর জন্য অনেক উপায় আছে যা নিয়মিত অবলম্বন করে আপনি গর্ভাবস্থার পরে বাড়তি ওজন এবং স্থূলতা কমাতে পারেন। নীচে আমরা এই টিপস সম্পর্কে বলছি:

১. নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করুন : ওজন কমানোর জন্য আপনি হয়তো খাবার ও পানীয় কমানোর কথা ভাবছেন, কিন্তু আপনার তা করা একেবারেই উচিত নয়। এটি করলে দুর্বলতা বা স্থূলতা বাড়তে পারে। তাই খাবার ও পানীয় কমিয়ে দেবেন না, শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন ।
২. অল্প হলেও অনেকবার খান : দিনে তিনবার না খেয়ে ছয় বারে অল্প অল্প করে খান। অল্প খেলেই আপনার পরিপাকতন্ত্র ঠিক থাকবে।
৩. বেলি বেল্ট: স্থূলতা কমাতে পেটে বাঁধা বেল্ট ব্যবহার করতে পারেন। এটা খুবই কার্যকরী প্রমাণিত হয়। চিকিৎসকরাও এর ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
৪. কম ক্যালরি নিন : এমন জিনিস খান, যা আপনাকে পুষ্টি দেয় এবং যেগুলোতে ক্যালরি কম। এছাড়াও খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি এবং কার্বোহাইড্রেট কম থাকতে হবে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ জিনিস যেমন ডিম, মুরগি, চর্বিহীন মাংস, টুনা এবং স্যামন, মাছ, মটরশুটি এবং গোটা শস্য ইত্যাদি খান।
৫. নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন : নিজেকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। এটি আপনার শরীর থেকে টক্সিন দূর করবে এবং ওজন কমানো সহজ করবে।
৬. নিয়মিত ব্যায়াম : প্রসবের পর স্থূলতা কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম অনেক সাহায্য করে।
৭. পর্যাপ্ত ঘুম : যদিও সন্তান প্রসবের পর একটানা আট ঘণ্টা ঘুম পাওয়া কঠিন হতে পারে, তবে আপনার পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। এর জন্য, আপনি অন্য সদস্যদের বাড়ির অন্যান্য কাজ দিতে পারেন এবং আপনার শিশু যখন ঘুমাবে তখন ঘুমাতে পারেন।
৮. বুদ্ধিমানের সাথে জলখাবার খান : স্তন্যদানকারী মায়েদের বারবার ক্ষুধার্ত হওয়া স্বাভাবিক। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় আপনার মনে হবে স্ন্যাকস খেতে, কিন্তু আপনি ভেবেচিন্তে স্ন্যাকস খান। এমন কিছু খাবেন না যাতে আপনার ওজন বাড়ে। স্ন্যাকস এর পরিবর্তে, আপনি ওটস, শুকনো ফল এবং শস্য দানা খেতে পারেন।
৯. মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন : মানসিক চাপই যে ওজন বাড়ার প্রধান কারণ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই যতটা সম্ভব মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন এবং সবসময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।
১০. নাচ : নাচ ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এই জন্য আপনি আপনার প্রিয় সঙ্গীত এর সাথে নাচুন। তবে নাচের আগে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন, কারণ আপনি যদি সম্প্রতি প্রসব করে থাকেন তবে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
১১. দই ডেজার্ট : যখন মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছে করবে তখন দই দিয়ে তৈরি ডেজার্ট নিতে পারেন। আপনি চাইলে দইয়ে ফল যোগ করে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেতে পারেন।
১২. খাওয়ার আগে পানি পান করুন : খাওয়ার পর যদি আপনার পেট ফুলে যাওয়া শুরু হয়, তাহলে খাওয়ার আগে ধীরে ধীরে এক গ্লাস পানি পান করুন।
১৩. সময়মতো খাওয়া : সবসময় সময়মতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ৭-৭:৩০ এর মধ্যে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন, যাতে শোবার সময় পর্যন্ত খাবার সঠিকভাবে হজম হয়। এটি আপনার বিপাককে শক্তিশালী করে এবং ওজন কমানো সহজ করে তোলে। এ ছাড়া দেরি করে ঘুমাতে গেলে রাতে এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গ্রিন টি পান করুন।
১৪. যতটা সম্ভব হাঁটুন : আপনার দৈনন্দিন রুটিনে হাঁটা অন্তর্ভুক্ত করুন। যতটা পারেন হাঁটুন। এর ফলে ওজন কমানো সহজ হয়। পার্কে কিছুক্ষণ হাঁটতে পারেন। আশেপাশের কিছু জিনিস আনতে যেতে হলে রিকশা বা গাড়ির পরিবর্তে হেঁটে যান।

১৫. বুদ্ধিমানের সাথে কেনাকাটা করুন : যদিও আপনি অনেক সুস্বাদু জিনিসের জন্য বাজারে যেতে প্রলুব্ধ হতে পারেন, তবে সবসময় বুদ্ধিমানের সাথে কেনাকাটা করুন। চকলেট, ক্যান্ডি এবং আইসক্রিমের মতো জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হবেন না। এতে আপনার ওজন আরও বাড়তে পারে।
১৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন : প্রসবের পরে স্থূলতা কমাতে, ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি এখনও চা এবং কফি পান করতে চান তবে আপনি এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পারেন।

প্রসবের পরে ওজন বা পেট কমানোর জন্য যোগব্যায়াম এবং ব্যায়াম

বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম আছে যা প্রসবের পর ওজন কমাতে সাহায্য করে। নীচে আমরা এই যোগব্যায়াম এবং অনুশীলন সম্পর্কে আলোচনা করছি-

১. হাঁটা- প্রসবের পর ছয় সপ্তাহ ভারী শ্রম করবেন না। ছয় সপ্তাহ পর, আপনি সপ্তাহে পাঁচবার ১৫ মিনিট হাঁটার জন্য যাবেন। এটি একটি কার্যকর ব্যায়াম, যা প্রসবের পরে ওজন এবং পেট কমাতে সাহায্য করবে।

২. স্ট্রেচিং- হাঁটা শুরু করার কয়েক দিন পরে, আপনার পেশীগুলো প্রসারিত করতে শুরু করেন। মনে রাখবেন যে প্রসারিত করার সময়, আপনার শরীরকে অতিরিক্তভাবে প্রসারিত করবেন না এবং এটি শুধুমাত্র প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে করুন।

এটি করার জন্য, আপনার পিঠের উপর শুয়ে পড়ুন এবং একটি হাঁটু বাঁকা করুন।
তারপর সোজা পায়ের গোড়ালিটা উপরে নিয়ে তারপর নিচে নামিয়ে আনুন। এই সময়, আপনার পিঠ সোজা রাখুন।
এই প্রক্রিয়াটি তিন থেকে পাঁচ বার পুনরাবৃত্তি করতে হবে।

৩. পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম- প্রসবের পর ওজন কমাতে পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ভালো ফলাফলের জন্য, আপনি পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম ১০ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

৪. সিট-আপ- নিয়মিত সিট-আপ করা ওজন ও পেট কমাতে সহায়ক।

এর জন্য মাটিতে যোগব্যায়াম এর মাদুর বিছিয়ে পিঠের উপর শুয়ে পড়ুন।
আপনার ঘাড়ের পিছনে আপনার হাত রাখুন এবং তারপর ধীরে ধীরে আপনার মাথা উপরের দিকে তুলুন।
এই প্রক্রিয়াটি আটবার পুনরাবৃত্তি করুন।

৫. সাঁতার কাটা- গর্ভাবস্থার পরে পেট এবং ওজন কমানোর জন্য সাঁতার একটি ভাল বিকল্প। এ জন্য একজন প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সপ্তাহে চারবার আধা ঘণ্টা করে সাঁতার কাটতে পারেন।

৬. সেতু ব্যায়াম- সেতু ব্যায়াম এর জন্য, আপনি আপনার পিঠের উপর ভর দিয়ে মাদুরের উপর শুয়ে থাকুন এবং আপনার উভয় হাত মাটির কাছে রাখুন।
তারপর আপনার হাঁটু দুটি বাঁকা করুন এবং পিঠ উপরে তুলুন।
এই সময়, আপনার পিঠ এবং বুক উভয় উপরে এবং আপনার হাত পিছনে রাখুন।
১০-১৫ সেকেন্ডের জন্য এই অবস্থানে থাকুন এবং তারপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরে আসুন।
প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়াটি আট থেকে দশবার পুনরাবৃত্তি করুন।

৭. শিশুর সাথে ব্যায়াম করুন- আপনি যদি আপনার শিশুর সাথে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করেন তবে ওজন হ্রাস করা সহজ হবে। এ জন্য শিশুকে কোলে নিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করতে পারেন।

গর্ভাবস্থার পরে ওজন বা পেট কমানোর ঘরোয়া প্রতিকার


শুধুমাত্র কঠোর পরিশ্রম করে এবং খাবার কমিয়ে ওজন কমাতে পারবেন এমন নয়। এর পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করেও ওজন কমাতে পারেন। জেনে নিন, গর্ভাবস্থার পর পেট ও ওজন কমানোর ঘরোয়া প্রতিকার-

১. লেবু ও মধু- লেবু ও মধু ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী বলে মনে করা হয়। এর জন্য হালকা গরম পানিতে অর্ধেক লেবু ও আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। আপনি এটি প্রতিদিন খালি পেটে পান করতে পারেন।
২. গ্রিন-টি- গ্রিন-টি ওজন কমাতে উপকারী। এ জন্য প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ গ্রিন-টি পান করতে পারেন।
৩. আপেল- হ্যাঁ, প্রতিদিন আপেল খাওয়া ওজন কমাতে সাহায্য করবে। কারণ, আপেলে পেকটিন থাকে, যা পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
৪. টমেটো- টমেটো পেটের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, যার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া, টমেটোতে লাইকোপিন এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা কোলেস্টেরল কমায় এবং মেটাবলিজম বাড়াতে চর্বি কমায়।
৫. রসুন- রসুন পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, রসুন ব্যবহারে মেদ কমে। এ জন্য প্রতিদিন সকালে চারটি রসুনের কোয়া চিবিয়ে খেতে পারেন। এর পরে আপনি এক গ্লাস লেবুপানি পান করতে পারেন।
৬. বার্লি এবং ক্যারাম বীজ- এর জন্য এক চামচ বার্লি এবং এক চামচ ক্যারাম বীজ আট গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। আপনি প্রতিদিন এই পানি পান করলে পেটের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।


গর্ভাবস্থার পর পেট সঙ্কুচিত হতে কতদিন লাগে?

গর্ভাবস্থার পরে পেট সঙ্কুচিত হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। খুব কম নারীর ক্ষেত্রে প্রসবের কয়েক দিনের মধ্যে পেট স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি আপনার উপর নির্ভর করে যে আপনি কীভাবে এটি কমাতে কঠোর পরিশ্রম করবেন। নিয়মিত ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাসের যত বেশি যত্ন নেবেন, তত তাড়াতাড়ি পেট কমাতে পারবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

বুকের দুধ খাওয়ানো কি আমাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে?

হ্যাঁ, বুকের দুধ খাওয়ানো আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে। চিকিত্সকরা বিশ্বাস করেন যে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় প্রচুর ক্যালোরি ব্যয় হয়, যা ওজন হ্রাস করা সহজ করে তোলে।

গর্ভাবস্থার পরে একদিনে আমার কত ক্যালোরি দরকার?

আপনি যদি আপনার শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ান, তাহলে আপনার প্রতিদিন অতিরিক্ত ৫০০ ক্যালোরি প্রয়োজন।

এই ছিল কিছু বিশেষ টিপস, যা প্রসবের পর বাড়তি ওজন এবং স্থূলতা কমাতে সাহায্য করবে। শুধু নিয়মিত আপনার ডায়েটে মনোযোগ দিন এবং ওয়ার্কআউট করার জন্য কিছু সময় বের করুন। এতে শুধু আপনার ওজনের ভারসাম্য থাকবে না, আপনি সুস্থও থাকবেন।

আরো পড়ুনঃ-

3.7/5 - (6 Reviews)

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button