স্বাস্থ্য

কমলা খাওয়ার উপকারিতা

টক-মিষ্টি স্বাদ ও রসে ভরা কমলা কার না ভালো লাগে। এটি একটি জনপ্রিয় ফল, যা সারা বিশ্বে খাওয়া হয়। লোকেরা এটির খোসা ছাড়িয়ে বা এর রস বের করে তাদের ইচ্ছানুযায়ী পান করে। এছাড়াও কমলার রস বিভিন্ন পানীয় এবং সুস্বাদু খাবারেও ব্যবহৃত হয়। এটা তো খাবারের ব্যাপার, জানলে অবাক হবেন যে খাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও কমলা আলাদা একটা পরিচয় বহন করে। এখানে আমরা কমলা খাওয়ার উপকারিতা এবং এটি ব্যবহারের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে কথা বলব। একইসাথে আমরা কমলার অপকারিতা সম্পর্কেও তথ্য দেব।

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কমলা কত প্রকার।

প্রধানত চার ধরনের কমলা বেশি জনপ্রিয়, যেগুলো সম্পর্কে আমরা নিচে তথ্য দিতে যাচ্ছি

গোলাকার কমলা – এটি সবচেয়ে সাধারণ, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমলা হিসাবে বিবেচিত হয়।
নেভাল অরেঞ্জ – এর উপরের অংশটি নাভির মতো, তাই এটি নেভাল অরেঞ্জ নামে পরিচিত।
ব্লাড কমলা – এখানে এক বিশেষ ধরনের কমলা আছে, যার রং রক্তের মতো লাল।
অ্যাসিডহীন কমলা – এই ধরনের কমলাতে অ্যাসিডের পরিমাণ শূ পাওয়া যায়।

কমলার প্রকারভেদ জানার পর আসুন জেনে নিই কমলার উপকারিতা সম্পর্কে।

কমলার উপকারিতা

কমলা খাওয়ার উপকারিতা
কমলার জুস

কমলা খাওয়ার উপকারিতা অনেক। সুস্বাদু কমলালেবু পুষ্টিগুণে ভরপুর, এর মধ্যে স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলোর মধ্যে আমরা নিচে কমলার উপকারিতা সম্পর্কে আপনাকে বলতে যাচ্ছি-

হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য কমলা খাওয়ার উপকারিতা
কমলার অভ্যন্তরে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে যার মধ্যে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন-সি হৃদরোগের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। পটাসিয়াম সেবন উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন-সি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে আমাদের শরীরকে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস আক্রমণ করে যা আমাদের অসুস্থ ও দুর্বল করে তোলে। কমলা আপনাকে এখানে সাহায্য করতে পারে, কারণ কমলা ভিটামিন সি এর মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে কাজ করে।

স্বাস্থ্যকর চোখের জন্য কমলালেবু খাওয়ার উপকারিতা
কমলা চোখের জন্যও উপকারী বলে মনে করা হয়। আসলে, কমলা ভিটামিন-সি এর একটি ভালো উৎস, যা চোখকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি চোখের সমস্যা যেমন ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে কাজ করে।

ওজন কমানোর জন্য কমলার রসের উপকারিতা
কমলার রস ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি ফাইবারের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ, যা স্থূলতা কমাতে সবচেয়ে সহায়ক বলে মনে করা হয়। এছাড়াও এতে কম ক্যালোরি পাওয়া যায়, যার কারণে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বিশেষ ফল। এছাড়াও এতে উপস্থিত কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তি যোগাতে পারে।

কিডনির পাথরের জন্য কমলার রসের উপকারিতা

কমলার রস কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করে, কারণ এতে সাইট্রিক রয়েছে, যা ক্রিস্টালকে পাথর তৈরি হতে বাধা দিতে কাজ করে। প্রতিদিন এক গ্লাস কমলার রস খাওয়ার মাধ্যমে পাথর হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়। এটিতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে এটি খুব কার্যকরি।

কোলেস্টেরল কমায়
কমলা ফাইবার সমৃদ্ধ। ফাইবার আপনার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, কমলালেবুতে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে – ভিটামিন সি, পটাসিয়াম এবং ফ্ল্যাভোনয়েড, যা কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

কমলালেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড এবং পেকটিনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এছাড়া কমলালেবুতে পাওয়া পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু গবেষণায় আরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে ডায়েটে কমলা যুক্ত করা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে পারে, যেমন হৃদরোগ এবং স্ট্রোক।

কোলন ক্যান্সারে সহায়ক
কমলাকে ফাইবারের ভালো উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুসারে, ফাইবার কোলন ক্যান্সারের সাথে লড়াই করতে সহায়ক।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কমলালেবু খাওয়ার উপকারিতা
কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুসারে, ফাইবার দ্রুত রক্তে শর্করা এবং গ্লাইকোসিলেটেড হিমোগ্লোবিন (HbA1c) কমাতে পারে, যা টাইপ 2 ডায়াবেটিস হওয়ার প্রধান কারণ। টাইপ 2 ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারে ফাইবার সমৃদ্ধ কমলা দেওয়া উপকারী।

আর্থ্রাইটিসে কমলার উপকারিতা
একটি গবেষণা অনুসারে, কমলার তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা আর্থ্রাইটিস কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। কমলালেবুর তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে বাতের ব্যথা খুব দ্রুত সেরে যায়।

হজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যে কমলার উপকারিতা
কমলালেবুতে ভালো পরিমাণে ফাইবার থাকে। এটি পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পেট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে কাজ করে। ফাইবার মলকে নরম করে মলত্যাগের প্রক্রিয়া সহজ করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

রক্তশূন্যতা
কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন সি। আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা দূর করতে কমলালেবুর ব্যবহার সহায়ক। আসলে কমলালেবুতে অল্প পরিমাণে আয়রন থাকে তবে ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে থাকে এবং ভিটামিন সি শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়াতে সহায়ক। এমন পরিস্থিতিতে কমলা খেলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা এড়ানো যায়।

PCOS চিকিৎসায় সহায়ক
PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) হল মহিলাদের হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, স্থূলতা বা মানসিক চাপের কারণে সৃষ্ট একটি অবস্থা। PCOS রোগীদের হৃদরোগ এবং টাইপ 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। কম গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার (রক্তে শর্করার মাত্রায় কার্বোহাইড্রেটের প্রভাব) PCOS-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য খাওয়া উচিৎ। কমলা কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সহ একটি ফল, যা PCOS রোগীদের জন্য উপকারী প্রমাণিত হয়েছে।

ত্বককে স্বাস্থ্যকর করে
কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা বার্ধক্য বিরোধী এবং UV সুরক্ষা হিসাবে কাজ করতে পারে পাশাপাশি ত্বককে সুস্থ রাখতে পারে। এর জন্য আপনি একটি কমলা বা এর রস বের করে প্রতিদিন পান করতে পারেন। আপনি চাইলে কমলার খোসা পিষে মুখে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, তবে এটি করার আগে একবার চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ত্বকের কালো দাগ দূর করে
কমলা খাওয়ার পর খোসা ফেলে দেবেন না। এগুলিতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ভিটামিন সি ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বককে নরম করতে কাজ করে এবং ত্বকের নতুন কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও, কমলার খোসা ত্বক থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ বের করে দিতে এবং কালো দাগযুক্ত স্থানগুলিকে হালকা করতেও কাজ করতে পারে।

ব্রণ দূর করে
কমলালেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড ত্বকের মরা চামড়া দূর করে এবং কমলালেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি আপনার ত্বকের ব্রণ দূর করতেও সাহায্য করে। পরিষ্কার এবং নরম ত্বকের জন্য কমলার খোসা ফেসওয়াশ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য কমলালেবুর উপকারিতা
কমলালেবু ভিটামিন এ, সি, ই এবং আয়রন সমৃদ্ধ। এই ভিটামিন এবং আয়রনে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি চুলের অত্যাবশ্যক পুষ্টি জোগায়, যা শুধুমাত্র চুল পড়া রোধ করে না, বরং তাদের ঘন, শক্তিশালী এবং চকচকে করে তোলে।

কমলার পুষ্টিগুণ

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক স্বাদে ভরপুর কমলালেবুতে স্বাস্থ্যের জন্য কী কী পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়।

কমলার পুষ্টি উপাদান
শরীরকে সুস্থ রাখতে স্বাদে ভরপুর কমলার ভেতরে অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। আসুন জেনে নেই এতে পাওয়া পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

কমলালেবুর পুষ্টিগুণ
প্রতি 100 গ্রাম পুষ্টির মান
জল 86.75 গ্রাম
শক্তি 47 ক্যালোরি
কার্বোহাইড্রেট 11.75 গ্রাম
চর্বি 0.15 গ্রাম
প্রোটিন 0.94 গ্রাম
ফাইবার 2.4 গ্রাম
চিনি 9.35 গ্রাম
ভিটামিন
ফোলেট 30 µg
নিয়াসিন 0.282 মিগ্রা
রিবোফ্লাভিন ০.০৪ মিলিগ্রাম
থায়ামিন 0.087 মিগ্রা
ভিটামিন সি 53.2 মিলিগ্রাম
ভিটামিন এ 11 মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন ই (আলফা-টোকোফেরল) 0.18 মিলিগ্রাম
ইলেক্ট্রোলাইটস
পটাসিয়াম 181 মিলিগ্রাম
খনিজ
ক্যালসিয়াম 40 মিলিগ্রাম
আয়রন 0.1 মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম 10 মিলিগ্রাম
ফসফরাস 14 মিগ্রা
জিঙ্ক 0.07 মিলিগ্রাম
লিপিড
ফ্যাটি অ্যাসিড স্যাচুরেটেড 0.015 গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড মনোস্যাচুরেটেড 0.023 গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড পলিআনস্যাচুরেটেড 0.025 গ্রাম

কমলা খাওয়ার নিয়ম

এখানে আমরা কমলার ব্যবহার জানাচ্ছি। জেনে নিন কীভাবে কমলা ব্যবহার করা যায়।

কমলার ব্যবহার –
আপনি রস এবং ফল উভয় আকারে কমলা খেতে পারেন। আপনি এটি সকালের নাস্তায় বা দিনের যে কোনো সময় আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী খেতে পারেন। এটির পরিমাণ দিনে এক বা দুটিতে সীমাবদ্ধ করুন, কারণ যে কোনও কিছু অতিরিক্ত খাওয়া ক্ষতিকারক হতে পারে।

নিচে জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন কমলার রস ও কমলার সালাদ-

কমলার রস

জিনিসপত্র :
5টি খোসা ছাড়ানো কমলা
1 ছাঁকনি
কিভাবে বানাবেন?
খোসা ছাড়ানো কমলার জুসারে রেখে পিষে নিন।
তারপর ছাকনি দিয়ে ছেঁকে একটি পাত্রে তুলে নিন।
স্বাদের জন্য কালো লবণও যোগ করতে পারেন।
কমলার রস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

কমলা সালাদ

জিনিসপত্র :
2 চা চামচ শুকনো কমলা গুঁড়া
4টি খোসা ছাড়ানো কমলা
১ টি কাটা কলা
১ কাপ কাটা আনারস
১ কাপ কাটা পেঁপে
2 চা চামচ চিনি
১ চিম্টি লবণ
১ টি লেবু কাটা
কিভাবে বানাবেন
কমলার গুঁড়া, লবণ ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন।
একটি কাচের পাত্রে সমস্ত কাটা ফল রাখুন।
এবার এর ওপর মিশ্রণ ও লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান।
সালাদ প্রস্তুত, আপনি এটি পরিবেশন করতে পারেন।

দ্রষ্টব্য: কমলা এবং কমলার রসের সাথে তুলনা করলে কমলা বেশি উপকারী, একটি হল এতে ফাইবার যেমন পাওয়া যায় তেমনি ভিটামিন ও মিনারেলও ভালো পরিমাণে থাকে, অথচ কমলার রসে কম পরিমাণে থাকতে পারে। তাই রসের বদলে কমলা খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

আসুন জেনে নিই কমলালেবু খাওয়া আমাদের ক্ষতি করতে পারে কিনা।

কমলার অপকারিতা

কমলা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী, কিন্তু শুধুমাত্র যখন এটি সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। কমলা থেকে নিম্নলিখিত ধরনের ক্ষতি হতে পারে:

কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে এবং অতিরিক্ত পরিমাণে ফাইবার খাওয়ার ফলে বদহজম, পেট ফাঁপা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। একই সময়ে, পরিমিত পরিমাণে নেওয়া খাদ্যতালিকাগত ফাইবার গ্যাস বা ডায়রিয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

উপরন্তু, কমলা প্রকৃতিতে অম্লীয়, তাই কমলার অত্যধিক ব্যবহার অম্বল হতে পারে। এটিতে উপস্থিত অ্যাসকরবিক অ্যাসিড এবং সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে এটি হতে পারে।

এই পোস্টে আপনি শিখেছেন যে কমলার ব্যবহারে আমরা শুধু অনেক রোগই কাটিয়ে উঠতে পারি না, এর ব্যবহারে আমরা ত্বক ও চুল সংক্রান্ত সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে পারি। এছাড়াও, শুধুমাত্র সীমিত পরিমাণে কমলা খান, অন্যথায় কমলাও আপনার ক্ষতি করতে পারে। এই সব জানার পর, আপনি অবশ্যই এই বিশেষ ফলটিকে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় স্থান দেবেন এবং এর উপকারিতা গ্রহণ করবেন।

5/5 - (21 votes)

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button